পাললিক শিলা কীভাবে তৈরি হয়?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে বাতাস, পানি, তুষার ও হিমবাহ, সমুদ্রস্রোত, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে তা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। এ ছোট ছোট কণাগুলো পানি বা বায়ু দ্বারা প্রবাহিত হয়ে নদ-নদীর মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে এবং তলদেশে আস্তে আস্তে পলিরূপে জমা হয়। এ সময় এর সাথে জীবজন্তু বা গাছপালার দেহাবশেষ ও পলিস্তরের মাঝে আটকা পড়ে। পানির চাপ ও তাপে নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে জমাকৃত পলি ধীরে ধীরে কঠিন শিলা তথা পাললিক শিলায় পরিণত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
409

আমাদের চারপাশে প্রতি মুহূর্তে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে। এদের কোনো কোনোটি আমাদের জীবন ধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় আবার কোনো কোনোটি হয়ত নানাবিধ ক্ষতির কারণও হতে পারে। প্রকৃতিতে ঘটা এ সকল নানা ঘটনায় বিভিন্ন পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন সাধিত হয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • প্রকৃতিতে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ধাতু সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করব।
  • রাসায়নিক ক্রিয়া এবং পরিবর্তনের কিছু ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখাতে পারব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেতন থাকব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করব।

Related Question

View All

মরিচা কী? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

পানিযুক্ত ফেরিক অক্সাইডই হলো মরিচা

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
564

ইলেকট্রোপ্লেটিং বলতে কী বুঝায়? (অনুধাবন)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। খাবারের কৌটা, সাইকেল এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
429

উদ্দীপকে উল্লেখিত বিক্রিয়াতে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটে ব্যাখ্যা কর (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক প্রদত্ত বিক্রিয়াটির সম্পূর্ণরূপ হচ্ছে-

সুতরাং, A ও B হচ্ছে যথাক্রমে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।
উল্লেখিত বিক্রিয়াটি হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে গাছপালা আলোর সাহায্যে বাতাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির (জলীয়বাষ্প) মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ গাছপালার বেড়ে উঠার কাজে লাগে আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের কাজে লাগে। সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন পদার্থ অর্থাৎ, গ্লুকোজ ও অক্সিজেন, বিক্রিয়ক পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্নধর্মী। সে কারণে এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
অতএব, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিক্রিয়াটিতে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।..

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
299

উদ্দীপকের A ও B-এর মধ্যে কোন উপাদানটি পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয় বিশ্লেষণ কর। (উচ্চতর দক্ষতা)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে A হচ্ছে গ্লুকোজ এবং B হচ্ছে অক্সিজেন। গ্লুকোজ এবং অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয়বাষ্পের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদ নিজের জন্য সঞ্চয় করে রাখে এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। আবার অন্যদিকে মানুষসহ অন্য প্রাণীরা গাছের ছেড়ে দেওয়া অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং গাছপালা বা অন্য উৎস থেকে গৃহীত খাদ্য ঐ অক্সিজেনের সাহায্যে দহন করে শক্তি উৎপন্ন করে ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ছেড়ে দেয় যা আবার গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য তৈরির কাজে। এভাবেই গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং উপজাত হিসেবে বাতাসে অক্সিজেন ছাড়ে, মানুষসহ অন্য প্রাণীরা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছেড়ে দেয় তা আবার গাছপালা গ্রহণ করে। এভাবেই A ও B তথা গ্লুকোজ ও অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
210

উপরের চিত্রটি কীসের? (জ্ঞানমূলক)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

উপরের চিত্রটি পানিচক্রের।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
226

চিত্রের উল্লিখিত B প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা কর। (প্রয়োগ)

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

চিত্রের উল্লিখিত B প্রক্রিয়াটি হলো পানিচক্র। নিচে পানিচক্র প্রক্রিয়াটি ব্যাখ্যা করা হলো-

১. জলাশয়ের পানি সূর্যের তাপে বাষ্পীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডলে যায়।
২. বায়ুমণ্ডলের জলীয়বাষ্প পরে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে মেঘে পরিণত হয়।
৩. বায়ুপ্রবাহ মেঘকে আরও শীতল ও ঘনীভূত করে বৃষ্টিপাত ঘটায়, যা ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে।
৪. বৃষ্টির পানির কিছু অংশ ভূমিতে শোষিত হয়।
৫. বাকি পানি বিভিন্ন জলাশয়; যেমন- হ্রদ, নদী, সাগর ও মহাসাগরে পতিত হয়।
৬. উদ্ভিদের প্রস্বেদনের মাধ্যমে এবং অন্যান্য জীবের জৈবিক ক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বায়ুমণ্ডলে ফিরে যায়।
এভাবে পানিচক্র প্রক্রিয়াটি পর্যায়ক্রমে চলতে থাকে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
9 months ago
189
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews